লিটনের ফিফটি ও শতরানের জুটি
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৯৭ ওভারে ৩০৯/৪
মুশফিকের সেঞ্চুরির পরপরই ফিফটি পেয়েছেন লিটন দাস। টেস্টে এটি লিটনের ২০তম ফিফটি। দুজনে মিলে গড়েছেন ১০৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি।
মুশফিক ১১তম

মুশফিকের ইতিহাস
শততম ম্যাচটা সেঞ্চুরি দিয়েই রাঙালেন মুশফিক। সেই সঙ্গে রাঙালেন বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের সকালও! সমর্থকদের মধ্যে যারা মাঠে আছেন তারা হয়তো একটু বেশিই ভাগ্যবান। মুহূর্তটা ক্যামেরাবন্দী করতে পেরেছেন নিজের ফোনেই। টেলিভিশনের পর্দা ও মোবাইল স্ক্রিনে চোখ রাখা সমর্থকদের তো এই সুযোগ নেই!
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে নেমেছিলেন মুশফিক। মাইলফলক ছোঁয়ার ম্যাচটা এর চেয়ে ভালো করে কীভাবে উদযাপন করা যেত! ৯৯ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিক আজ হামফ্রিসের করা দিনের প্রথম ওভারটিতে কোনো রান নিতে পারেননি। তবে পরের ওভারে পেসার জর্ডান নিলের করা ওভারের তৃতীয় বলে এক রান নিয়ে মাইলফলকে পৌঁছান মুশফিক।
বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন মুশফিক। টেস্টে শততম ম্যাচে সেঞ্চুরির এটি ১২তম ঘটনা। কিংবদন্তি রিকি পন্টিং তাঁর শততম টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরি করেছিলেন।
মুশফিক ৯৯* ও বাংলাদেশের ২৯২/৪

না হলো না!
৯০ ওভার শেষে মাঠে আম্পায়ার ও খেলোয়াড়দের অঙ্গভঙ্গি দেখে মনে হয়েছিল টেস্টের প্রথম দিনে একটি ওভার বাড়তি খেলাতে পারেন তাঁরা। সেটি হয়নি। মুশফিক অপরাজিত রইলেন ৯৯ রানে। কাল ১ রান করলেই বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়বেন মুশফিক।
মুশফিক আজ সেঞ্চুরিটি পাবেন কি না, শেষ কয়েক ওভার ধরে সবার মনে এ নিয়েই কৌতুহল ছিল। মুশফিকও হয়তো সেঞ্চুরিটি আজই করতে চেয়েছিলেন। নইলে কি দিনে নিজের শেষ বলটিতে সুইপ খেলেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান! সেটি করেও পারেননি। সেই শট থেকে এসেছে ১ রান।
মুশফিকের ৯৯* ও মুমিনুলের ফিফটিতে বাংলাদেশ প্রথম দিন শেষ করেছে ৪ উইকেটে ২৯২ রান নিয়ে। নাজমুল ছাড়া সবাই শুরুটা ভালো করেছেন। ওপেনার সাদমান করেছেন ৩৫, মাহমুদুল ৩৫। লিটন অপরাজিত আছেন ৪৭ রান নিয়ে।
আয়ারল্যান্ডের হয়ে অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন একাই ৪ উইকেট নিয়েছেন।
মুশফিক ও লিটনের জুটি
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৮৩ ওভারে ২৬৯/৪
পঞ্চম উইকেট জুটিতে মুশফিক ও লিটন অবিচ্ছিন্ন ৬৭ রানের জুটি গড়েছেন। লিটন অপরাজিত আছেন ৩৯ রানে। ৮৫ রানে অপরাজিত মুশফিক।
এরইমধ্যে টেস্টে বাংলাদেশের পঞ্চম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে গেছেন লিটন। ছাড়িয়ে গেছেন হাবিবুল বাশারকে।
লিটনের কীর্তি
লিটনের ‘সেঞ্চুরি’
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি লিটনের শততম ম্যাচ। বড় ইনিংস খেলে নিশ্চয়ই মাইলফলক ছোঁয়ার ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখতে চাইবেন লিটন।
অন্যদিকে মুশফিক খেলছেন শততম টেস্ট।
ইনিংস বড় হলো না মুমিনুলের
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৬৪ ওভারে ২০৪/৪
তৃতীয় সেশনের দ্বিতীয় ওভারেই আউট মুমিনুল। স্পিনার ম্যাকব্রাইনকে সুইপ করতে গিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দেন। মুমিনুলের ধারার ব্যাটসম্যানের জন্য একটু অদ্ভুত আউটই বটে! ১২৮ বলে ৬৩ রানে আউট হলেন মুমিনুল। মুশফিক অন্য প্রান্তে ৫৭ রানে অপরাজিত। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান লিটন দাস।

মুশফিকের ফিফটি
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৬৩ ওভারে ২০২/২
চা বিরতি শেষে তৃতীয় সেশনের প্রথম বলেই (৬৩তম ওভার) চার মেরে ফিফটি তুলে নেন মুশফিক। একই ওভারে দলীয় রান দুই শও পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ
মুশফিক ৫৭ ও মুমিনুল ৬৩ রানে অপরাজিত।
বাংলাদেশের সেশন
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৬২ ওভারে ১৯২/৩
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনের দ্বিতীয় সেশনটা পুরোপুরি বাংলাদেশের। প্রথম সেশনের মতো এই সেশনেও খেলা হয়েছে ৩১ ওভার। এই সেশনে বাংলাদেশ কোনো উইকেট না হারিয়ে তুলেছে ৯২ রান। মুশফিক অপরাজিত ৪৮ রানে, মুমিনুল ৬২।
বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের অবশ্য ভাগ্য ভালো। মুমিনুল এখন পর্যন্ত জীবন পেয়েছেন দুইবার, মুশফিক একবার। আয়ারল্যান্ড তিনটি ক্যাচই ছেড়েছে এই সেশনে।
মুমিনুলের ফিফটি
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৫৩ ওভারে ১৬৬/৩
টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৪তম ফিফটি পেলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক। ২৩ রানে জীবন পাওয়া মুমিনুল ব্যক্তিগত ৪৯ রানেও একবার জীবন পেয়েছেন। দুইবার জীবন পাওয়া মুমিনুল সেঞ্চুরি পাবেন কী?
প্রথম টেস্টে মুমিনুল ৮২ রান করেছিলেন।
জীবন পেলেন মুশফিকও
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৪৮ ওভারে ১৪৬/৩
ব্যক্তিগত ২২ রানে জীবন পেয়েছেন মুশফিক। অভিষিক্ত লেগ স্পিনার গ্যাভিন হোয়ের বল মুশফিকের ব্যাট ছুঁয়ে উইকেটকিপার লরকান টাকারের কাছে যায়। সেটি গ্লাভসে আটকে রাখতে পারেননি টাকার। এর আগে জীবন পেয়েছেন মুমিনুলও।
মুমিনুল ও মুশফিক জুটি এরইমধ্যে অবিচ্ছিন্ন ৫১ রানের জুটি গড়েছেন।
জীবন পেলেন মুমিনুল
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩৪ ওভারে ১১১/৩
ব্যক্তিগত ২৩ রানে জীবন পেলেন মুমিনুল। ম্যাকব্রাইনের বলে সুইপ খেলতে গিয়ে মিডউইকেটে ক্যাচ দিয়েছিলেন তিনি। ক্যাচটি নিতে পারেননি কারমাইকেল।
প্রথম সেশন কোন দলের
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৩১ ওভারে ১০০/৩
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনে প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান তুলেছে বাংলাদেশ দল। ওপেনিং জুটিতে ৫২ রান তোলে বাংলাদেশ। দলকে ভালো শুরু এনে দিলেও ওপেনাররা কেউ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। সাদমান করেছেন ৩৫, মাহমুদুল ৩৪ রান। চারে নামা নাজমুল হোসেন আউট হয়েছেন ৮ রানে।
১৭ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন মুমিনুল। ৩ রানে অপরাজিত মুশফিক। আইরিশদের হয়ে ৩টি উইকেটই নিয়েছেন ম্যাকব্রাইন।
আবার ম্যাকব্রাইন
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৮ ওভারে ৯৫/৩
ডানহাতি স্পিনার ম্যাকব্রাইনের ছক্কা মেরে ৮৮ বলের বাউন্ডারি খরা কাটিয়েছিলেন নাজমুল। তবে পরের বলেই হয়ে গেলেন বোল্ড। আয়ারল্যান্ডের হয়ে তিনটি উইকেটই নিয়েছেন ম্যাকব্রাইন। ৮ রান করেছেন নাজমুল।
ফিরলেন আরেক ওপেনার
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ২৫.১ ওভারে ৮২/২
ম্যাকব্রাইনের দ্বিতীয় শিকার। ফিরলেন ওপেনার মাহমুদুল। বড় শট খেলতে গিয়ে ৩৪ রান করে ফিরেছেন মাহমুদুল। অনেকক্ষণ ধরেই কিপটে বোলিং করে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের চাপে রেখেছিলেন আইরিশ বোলাররা। সেই চাপ থেকে মুক্তি পেতেই হয়তো বড় শট খেলতে চেয়েছিলেন মাহমুদুল।
রিভিউ নিয়ে সাদমানকে ফেরাল আয়ারল্যান্ড
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৪ ওভারে ৫২/১
৩৫ রান করে ফিরলেন সাদমান। ডানহাতি স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন সাদমান। ফিল্ড আম্পায়ার শুরুতে আউট না দিলে রিভিউ নেন অ্যান্ডি বলবার্নি। সফল হন তিনি।
টেস্টে ভালো শুরু পেয়েছে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ১৩.২ ওভারে ৫২/০
টসে জিতে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশ প্রথম ১৩.২ ওভারে রান তুলেছে ৫২। বাংলাদেশ দলের দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান ও সাদমান খেলছেন সাবলীলভাবে। সাদমান অপরাজিত ৩৫ রানে, মাহমুদুল ১৫ রানে।
সিলেট টেস্ট এই দুজন মিলে ওপেনিং জুটিতে তুলেছেন ১৬৮ রান।
মুশফিককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাকিব যা লিখেছেন
আমার মনে আছে যখন আপনি লর্ডসে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলেন, আমি বিকেএসপির বিনোদন কক্ষ থেকে প্রতিটি বল দেখেছিলাম। সেই দিন থেকে আপনি আমাকে এবং বাংলাদেশসহ বিশ্বের অগণিত ক্রিকেটারকে অনুপ্রাণিত করেছেন। আপনি অনেক দিন ধরে খেলছেন এবং দলকে আপনার সেরাটা দিয়েছেন। যখন আপনি বয়সভিত্তিক দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তখন থেকেই আমি আপনাকে আমার অধিনায়ক হিসেবে দেখেছি, আর এখনো এবং যত দিন আমি ক্রিকেট খেলব আপনিই থাকবেন আমার অধিনায়ক। মুশফিক ভাই, এই শুভক্ষণে আমি আপনাকে আপনার ১০০তম টেস্ট ম্যাচের জন্য শুভকামনা জানাই। এটি যেকোনো ক্রিকেটারের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন। আমি যেমন আপনার প্রথম ম্যাচে প্রতিটি বল দেখেছিলাম, তেমনি আমি আপনার ১০০তম টেস্ট ম্যাচেও আপনার খেলা প্রতিটি বল দেখব। আশা করি আপনি এই ম্যাচ উপভোগ করবেন। যদি এমন হতো, আপনার সঙ্গে এই ম্যাচটা খেলতে পারতাম এবং মাঠে আপনার গৌরবের দিনটাকে উদ্যাপন করতে পারতাম!
শততম টেস্টের আগে মুশফিক যা বলেছেন
আল্লাহকে ধন্যবাদ এমন দারুণ একটা সুযোগের জন্য। যাঁরা উপস্থিত আছেন আপনাদের সবাইকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমার পরিবারের সব সদস্য, বাবা-মাকে কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। বিশেষত আমার স্ত্রীকে, যে অনেক নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে। আমার সতীর্থ, কোচ, বন্ধু ও সব ভক্তদেরও ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানাই। আমিও বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এক শ ভাগ দেব, যেমনটা সব সময় চেষ্টা করি। আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দলকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই এখানে থাকার জন্য।
মুশফিককে নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল
অভিনন্দন মুশফিক ভাই। এটা আপনার ও পরিবারের জন্য গর্বের মুহূর্ত। আমরা আপনাকে ছোটবেলা থেকে অনুসরণ করেছি, আপনার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছে। আমি আশা করি মাঠে ও বাইরে আপনি যে কঠোর পরিশ্রম করেন সেটা চালিয়ে যাবেন। আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনি সব সময় দলের জন্য খেলেন। আপনি নিজের নয়, দলের কথা চিন্তা করেন।

মুশফিককে বিশেষ ক্যাপ উপহার
মুশফিককে শততম টেস্ট উপলক্ষে বিশেষ ক্যাপ উপহার দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। অভিষেক টেস্টেও তাঁকে ক্যাপ পরিয়ে দিয়েছিলেন তখনকার এই অধিনায়ক।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খানও দিয়েছেন বিশেষ উপহার। মুশফিকের হাতে ক্রেস্ট তুলে দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও নাজমূল আবেদীন। মুশফিকের প্রথম ও শততম টেস্টের সতীর্থদের সিগনেচার করা জার্সি উপহার দিয়েছেন নাজমুল ও হাবিবুল।
মিরপুরে এখন যা হচ্ছে
মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে চলছে নানা আয়োজন। গ্যালারিতেও হাজির কিছু দর্শক। একই রকমের জার্সি গায়ে দিয়ে তাঁরা এসেছেন মুশফিকের শততম টেস্ট উদ্যাপন করতে। সতীর্থদের নিয়ে মাঠে ঢুকছেন মুশফিক।
সতীর্থদের নিয়ে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছেন মুশফিক। পাশে আছেন ম্যাচ অফিশিয়াল ও সাপোর্ট স্টাফের সদস্যরা। মুশফিকের সঙ্গে আছেন পরিবারের সদস্যরাও। এই অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন আতাহার আলী খান।
একাদশে দুই পরিবর্তন
বাংলাদেশের একাদশে দুটি পরিবর্তন এসেছে। আগের ম্যাচে খেলা দুই পেসার হাসান মাহমুদ আর নাহিদ রানা নেই এই ম্যাচে। তাঁদের জায়গায় একাদশে সুযোগ পেয়েছেন ইবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদ।
বাংলাদেশ একাদশ: নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), মাহমুদুল হাসান, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, ইবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদ ও হাসান মুরাদ
বাংলাদেশ টসে জিতে ব্যাটিং করবে
মিরপুরে টসে জিতে ব্যাটিং করবে বাংলাদেশ দল। এর আগের টেস্টে টসে জিতে ব্যাটিং করেছিল আয়ারল্যান্ড।
বাংলাদেশ ১–০ তে এগিয়ে
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে সিলেটে ইনিংস ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ। মিরপুরে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে আয়ারল্যান্ডকে ধবলধোলাই করা।









Leave a Reply