“মেহমান রেস্টুরেন্ট” সূচিত করেছে চমৎকার এক খাদ্য সম্ভারের !
সাব্বির আহমেদ
চিরায়ত স্বাদ আর আঞ্চলিক খাবারের বৈচিত্র্য এবার এক টেবিলে! সিলেট নগরীর ব্যস্ততম জিন্দাবাজার পয়েন্টে ঐতিহ্যবাহী “মেহমান রেস্টুরেন্ট” সূচিত করেছে চমৎকার এক খাদ্য সম্ভারের । দেশের ঐতিহ্যবাহী ও মুখরোচক খাবারের সমাহারের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে মেহমান। মানের বিশুদ্ধতা, পরিবেশনের ব্যঞ্জনা,দাম এর সহনীয়তা এবং পারিপার্শ্বিক শুদ্ধ আবহের ঘাটতির কারনে সিলেটের ভোজন রসিকরা রেস্টুরেন্ট বিমূখ। অগণিত ভোজনরসিকের এই চাহিদা পূরণের অঙ্গীকার নিয়েই মেহমান এর যাত্রা।প্রতিদিন ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত রেস্টুরেন্টে অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন বাঙালিয়ানার অনন্য রন্ধনভোজ। এখানে দেশীয় খাবারের পাশাপাশি মিলবে ভোজনরসিকদের চাহিদার সব ধরনের খাবার।হারিয়ে যাওয়া স্বাদ আর আঞ্চলিক খাবারের বৈচিত্র্য এবার এক টেবিলেই মিলবে মেহমান এর মেহমানদারিতে।এখানে একসঙ্গে মিলবে , চট্টগ্রামের মেজবান মাংস, রাজশাহীর চাপাটি, খুলনার চুইঝাল, , চাটগাঁওয়ের কালাভুনা, আর সিলেটের ঐতিহ্যের ধারক সাতকড়া মাংসসহ দেশের নানা প্রান্তের মুখরোচক পদ।এ সাথে রয়েছে আরও নানা রকম ভর্তার আয়োজন। মেহমান এর ডিরেক্টর সতীর্থ সাংবাদিক জনাব ওয়েছ খসরু বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি খাবারের দোকান নয়, বরং বাংলাদেশের খাবার সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে তুলে ধরা ও বাংলাদেশের সমৃদ্ধ রন্ধন ঐতিহ্যকে নতুনভাবে এ অঞ্চলের মানুষের কাছে পরিচয় করিয়ে দেয়া।
এখানে ডেজার্ট হিসেবে থাকছে দেশীয় মিষ্টান্ন।
১৪ নভেম্বর থেকে সূচিত যাত্রায় সিলেটের মেহমান অল্প সময়েই ব্যাপক সাঁড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছে।
সন্ধ্যার ডিনারে গ্রামবাংলার আবহে সাজানো পরিবেশ, মাটির পাত্র, সেই হারানো স্মৃতি, যেন শহরের বুকেই ফিরে আসবে গ্রামের উৎসবের রঙ আর হারানো স্বাদ।
বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার স্বাদ এবার এক ছাদের নিচে। পরিবারের সদস্য বা প্রিয়জনকে নিয়ে উপভোগ করতে পারেন এক সম্পূর্ণ বাঙালি রন্ধনযাত্রা। যেখানে প্রতিটি পদে মিশে আছে মাটির গন্ধ। সাংবাদিক ওয়েছ খসরু জানান,- আমরা আমাদের গ্রাহকের সেবাটাকেই আমাদের মূখ্য দায়িত্ব মনে করি।এখানকার প্রতিটি স্টাফই অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত। কেবলই এটাএকটা খাবারের দোকান নয় মেহমান মূলতঃ আন্তরিক পরিবেশে ভোজন রসিকদের এক মিলন কেন্দ্র। তিনি নতুন অঙ্গীকার নিয়ে সূচিত সিলেটের “মেহমান রেস্টুরেন্ট” এর মেহমানদারিতে সকলের স্বাবলীল আগমন প্রত্যাশা করেন।
Leave a Reply