1. admin@dailybdfreepress.com : admin :
July 5, 2026, 4:37 pm
Title :
ফের চালু হলো সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট সমৃদ্ধ পল্লীই গড়ে তুলবে উন্নত বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী জনগণের বিশ্বাস ও ভালোবাসার ওপর নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই: প্রধানমন্ত্রী আমি নিশ্চিত, প্রতিশোধ প্রশ্নে মা বলতেন ‌‘তোমার দায়িত্ব সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে এগিয়ে যাওয়া’ যে দোয়া পাঠে রহমতের দরজা খুলে দেওয়া হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দল-মত ভুলে মানুষ রাস্তায় নামে, তাদের সম্মান করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী বিচারের নামে অবিচার নয়, আইন মেনে জুলাই হ ত্যা কা ণ্ডে জড়িতদের বিচার হবে: প্রধানমন্ত্রী ইসলামের দৃষ্টিতে দায়িত্ববোধের গুরুত্ব ভারতীয় ভিসা নিয়ে বিশেষ বার্তা হাইকমিশনের

সমৃদ্ধ পল্লীই গড়ে তুলবে উন্নত বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

  • Update Time : রবিবার, জুলাই ৫, ২০২৬
  • 0 Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

 

সমৃদ্ধ পল্লীই গড়ে তুলবে উন্নত বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী
বাসস

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকারের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের পল্লী হবে আরো আধুনিক, উৎপাদনশীল ও সমৃদ্ধ; আর সেই সমৃদ্ধ পল্লীই গড়ে তুলবে একটি উন্নত, আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

আগামীকাল ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আজ দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘একটি ন্যায়ভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার উন্নয়নের মূলধারায় দেশের প্রতিটি মানুষকে সম্পৃক্ত করতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গ্রাম ও পল্লীকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ, উন্নত পল্লী ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যকে আরো সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উদযাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।’

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ সরকারের উন্নয়ন দর্শন, জনগণের প্রত্যাশা এবং আমাদের ভবিষ্যৎ অভিযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে আমাদের পল্লী। দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে এবং কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোগ, কুটির শিল্প ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই পল্লী উন্নয়ন কেবল একটি খাতভিত্তিক কর্মসূচি নয়; বরং একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

তিনি বলেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মধ্য দিয়েই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরো গতিশীল ও স্থায়ী করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৯৭৭ সালে ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নের একটি সুদূর প্রসারী রূপরেখা প্রণয়ন করেন। এ কর্মসূচির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ ও জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, সমাজে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, যুবসমাজকে সুসংগঠিত করা, প্রশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন।

পাশাপাশি কৃষক সংগঠন গঠন, সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, খাল খনন, সেচ ও কৃষি অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তৃণমূল জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে প্রবর্তিত ‘গ্রাম সরকার ব্যবস্থা’ দেশের স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমকে নতুন গতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি প্রদান করে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক গৃহীত বিস্তৃত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তাঁর সময়কালে গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা, সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, কৃষি ঋণ মওকুফ এবং ক্ষুদ্র ঋণ ও আয়বর্ধক কার্যক্রমে সহায়তার মাধ্যমে পল্লী অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এসব কার্যক্রম পল্লী অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক গতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

তারেক রহমান বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার প্রত্যয়ে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে। সরকার ইতোমধ্যে জাতীয় প্রতিশ্রুতি (নির্বাচনী ইশতেহার-২০২৬) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পল্লীর দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল পুনঃখনন, কৃষি ঋণ মওকুফ, পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নারী ও যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পল্লী গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সকল দপ্তর-সংস্থা এবং পল্লী উন্নয়নে নিয়োজিত সকল অংশীজনের প্রতি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।

‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এ দিবস পল্লী উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরো বেগবান করবে।’

এ উপলক্ষ্যে তিনি পল্লীবাসী সকল জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

বিডি-প্রতিদিন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2019 Effective News
Theme Customized By Positiveit.us