1. admin@dailybdfreepress.com : admin :
July 26, 2026, 7:16 pm
Title :
আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য ‘যারা জানে আর যারা জানে না উভয়ে সমান নয়’ অন্তরের প্রশান্তি পেতে যেসব ইবাদত করা যায় সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে দেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত: প্রধানমন্ত্রী সিলেটে যে নতুন সড়ক নির্মাণ করবে সরকার জনগণের ভোগান্তি কমাতে সরকার নিরলস কাজ করছে: বাণিজ্যমন্ত্রী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে আসলে তাকে বাঁধা দিয়েন না: রাশেদ প্রধান ফ্যাসিবাদ, চাঁ দা/বা জি, দু র্নী তি ও দুঃশা*সন নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: ডা. শফিকুর রহমান ডিজিটাল ফিতনার বিস্তার ও ইসলামের প্রতিকার

আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য

  • Update Time : রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬
  • 7 Time View

আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য

 

শিরক একটি জুলুম

মাওলানা আবদুর রশিদ

 

ইসলামি পরিভাষায় সর্বশক্তিমান আল্লাহতায়ালার সঙ্গে কাউকে শরিক করা, কাউকে তাঁর সমকক্ষ ভাবা কিংবা অংশীদার করাকে শিরক বলে। এটি একটি জঘন্য অপরাধ এবং কবিরা গুনাহ। মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহতায়ালা শিরককে বড় মিথ্যা এবং জুলুম বলে আখ্যায়িত করেছেন। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসে বলা হয়েছে- আল্লাহ তাঁর বান্দার যেকোনো গুনাহ ক্ষমা করে দেন। কিন্তু শিরকের গুনাহকে ক্ষমা করেন না। আমাদের সমাজে আল্লাহতায়ালার সঙ্গে বিভিন্নভাবে এবং বিভিন্ন পন্থায় শিরক করা হয়ে থাকে।

মানুষ পাথর, অগ্নি, গাছ, কবরপূজা ইত্যাদির মাধ্যমে শিরক করে। তা ছাড়া ব্যবসাবাণিজ্য, চাকরিবাকরি, বিয়েশাদি, রোগশোক, আয়রোজগার ইত্যাদির ক্ষেত্রেও বিভিন্নভাবে এবং বিভিন্ন পন্থায় শিরক করা হয়।

শিরককে চার ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। ১. আল্লাহর মূল সত্তায় শিরক, ২. আল্লাহর গুণাবলিতে শিরক, ৩. আল্লাহর অধিকারে শিরক, ৪. আল্লাহর এখতিয়ারে শিরক।

পবিত্র কোরআনে শিরকের পরিণাম সম্পর্কে সতর্ক করে বলা হয়েছে- এটি একটি ক্ষমাহীন অপরাধ। ইরশাদ করা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করে। এ ছাড়া যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন এবং কেউ আল্লাহর সঙ্গে শিরক করলে সে ভীষণভাবে পথভ্রষ্ট হয়। তারা তাঁর পরিবর্তে শুধু দেবীরই পূজা করে এবং বিদ্রোহী শয়তানের পূজা করে।’ (৪-সুরা নিসা : ১১৬-১১৭)।

যারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে উপাস্য হিসেবে মানে তারা পথভ্রষ্ট। ইরশাদ করা হয়েছে- স্মরণ কর, যখন ইবরাহিম তাঁর পিতা আজরকে বললেন : ‘তুমি কি প্রতিমাগুলোকে উপাস্য মনে কর? আমি দেখতে পাচ্ছি যে তুমি ও তোমার সম্প্রদায় প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট।’ (৬ সুরা আনয়াম : ৭৪)। আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য। শিরকমুক্ত ইবাদতের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সন্তুষ্টি বিধান করতে পারে।

সর্বশেষ ও শ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশিত পথে আল্লাহর ইবাদত করতে হবে। হজরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমে দুনিয়ার বুকে প্রথম নবীর আগমন, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমনের মাধ্যমে পৃথিবীতে নবী-রসুলের আগমনপর্বের সমাপ্তি টানা হয়েছে। মহানবী রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পর পৃথিবীতে আর কোনো নবী আসবে না। তিনি হলেন বিশ্ববাসীর জন্য মনোনীত নবী। কেয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ পৃথিবীতে আসবে তারা তাঁর উম্মতের মধ্যেই গণ্য হবে। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকার এ মহান জিম্মাদারি তাঁর উম্মতের মধ্যে যারা কোরআন-হাদিসের জ্ঞানে জ্ঞানী তাদের ওপর দিয়েছেন।

মহানবী (সা.)-এর আগে যে হাজার হাজার নবী-রসুল এসেছেন, তাঁদের বিশেষ সম্প্রদায়ের নবী-রসুল হিসেবে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু আখেরি নবী (সা.)-এর আগমন ঘটেছে সমগ্র মানবজাতির জন্য। ইরশাদ করা হয়েছে- ‘হে নবী আমি আপনাকে সারা বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে প্রেরণ করেছি।’ (২১ সুরা আম্বিয়া : ১০৭)।

লেখক : ইসলামি গবেষক

 

বিডি প্রতিদিন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2019 Effective News
Theme Customized By Positiveit.us