1. admin@dailybdfreepress.com : admin :
August 3, 2026, 5:46 pm

রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত

  • Update Time : সোমবার, আগস্ট ৩, ২০২৬
  • 1 Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। ফাইল ছবি

 

রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত

বাসস

 

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনমুখী, বাস্তববাদী ও দক্ষ নেতৃত্ব বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

তিনি আরও বলেন, এই নেতৃত্ব দেশকে জটিল উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সোমবার রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস-বিস) মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী ‘কমপারেটিভ গভর্ন্যান্স ফোরাম ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রদূত।

ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘চীন সবসময় বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু, ভালো প্রতিবেশী ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে।’

তিনি বলেন, উন্নয়নের গতি ধরে রাখতে বাংলাদেশকে রাজনৈতিক ঐক্য ও সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে একক শিল্পনির্ভর অর্থনৈতিক কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে অর্থনীতিকে বহুমুখী করতে হবে এবং উন্নয়নের জন্য আরও অনুকূল আন্তর্জাতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন চীনের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চেন ঝিমিন। আরো বক্তব্য দেন বিস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুর রহমান।

ইয়াও ওয়েন বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশের নতুন সরকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়নমুখী নীতি অনুসরণ করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গত জুনে চীন সফরের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ওই সফরে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব বাংলাদেশ-চীনের ‘সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারত্ব’ আরও জোরদার করা এবং নতুন যুগের জন্য অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন কমিউনিটি গড়ে তোলার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

রাষ্ট্রদূতের ভাষায়, ‘সফরটি অত্যন্ত সফল ছিল এবং এটি দুই দেশের সম্পর্কের ইতিহাসে একটি মাইলফলক।’

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বক্তব্য উদ্ধৃত করে ইয়াও ওয়েন বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যেভাবেই বদলাক না কেন, বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চীন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, দু’দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সমঝোতা বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ‘স্বর্ণালি ৫০ বছর’-এর ভিত্তি আরও শক্তিশালী করেছে। এ ছাড়া বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এর আওতায় উচ্চ পর্যায়ে সহযোগিতা বাড়ানো এবং দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন কৌশলের মধ্যে আরও সমন্বয় জোরদারে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।

ইয়াও ওয়েন বলেন, তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার পরিধি ও মান ক্রমাগত বাড়ছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা বিনিময়ও দুই দেশের অভিন্ন ভবিষ্যতের কমিউনিটি গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তিতে পরিণত হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা বিনিময় দুই দেশের জনগণের মধ্যে সংযোগের একটি কার্যকর সেতুবন্ধন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই ফোরামের অংশগ্রহণকারীরা রাষ্ট্র পরিচালনা, দারিদ্র্য বিমোচন ও ডিজিটাল গভর্ন্যান্সসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।

বিস ও ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত চার দিনের এই ফোরামে চীনের রাষ্ট্র পরিচালনায় আধুনিকায়ন ও সুশাসন সক্ষমতার অভিজ্ঞতা, ‘ফোর গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভস’ এবং ‘গ্লোবাল সাউথ’সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

বিডি প্রতিদিন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2019 Effective News
Theme Customized By Positiveit.us