1. admin@dailybdfreepress.com : admin :
August 12, 2026, 2:20 pm

সিলেট মহানগরীতে ট্রিপল মা*র্ডা*র

  • Update Time : বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৬
  • 0 Time View

সিলেট মহানগরীতে ট্রিপল মা*র্ডা*র

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

 

সিলেট নগরে ‘ট্রিপল মার্ডার’র ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা বাসার ভেতর ঢুকে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকাকে কুপিয়ে খুন করে পালিয়েছে। পুলিশের ধারণা ডাকাতি কিংবা পারিবারিক পূর্ববিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

 

 

বুধবার সকাল ৯টার দিকে নগরীর রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ওই বাসার মালিক আবদুস আবদুস সাত্তার (৮২), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও গৃহপরিচারিকা তাহমিনা (২৫)।

স্থানীয় সূত্র জানায়, আবদুস সাত্তারের তিন মেয়ে ও এক ছেলে। এক ছেলে ও এক মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ও দ্ইু মেয়ে যুক্তরাজ্যে থাকেন। স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকাকে নিয়ে তিনি দেশে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি বিয়ানীবাজার উপজেলার আখাখাজনায়। রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার প্রবীণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত তিনি।

একসময় তিনি ব্যবসায়ী নেতাও ছিলেন। মিতালী আবাসিক এলাকায় তাঁর পাশাপাশি তিনতলা দুটি বাসা রয়েছে। এর মধ্যে একটি বাসার দুইতলায় তিনি থাকতেন। দুই বিল্ডিংয়ের বাকি ফ্ল্যাটগুলোতে ভাড়াটে থাকেন। এলাকায় সজ্জ্বন ব্যক্তি হিসেবেই আবদুস সাত্তারের পরিচিতি রয়েছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা ও মহানগর তাঁতীদলের সদস্যসচিব আমিনুল ইসলাম বেলাল জানান, সকাল ৯টার দিকে আবদুস সাত্তারের বাসা থেকে চিৎকার শোনা গেছে। বাসায় অসুস্থ কেউ চিৎকার করছেন ভেবে কেউ আর এগিয়ে যাননি। সকাল ১০টার দিকে বাসার রঙের কাজের জন্য একজন মিস্ত্রি এসে ডাকাডাকি করেও সাড়াশব্দ পায়নি। এসময় পাশের বিল্ডিংয়ের দু’তলার এক ভাড়াটে দেখতে পান আবদুস সাত্তারের বাসার দরজার নিচ দিয়ে বারান্দায় রক্ত গড়িয়ে বেরুচ্ছে। বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ এসে বাসার ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসার একটি রুমে আবদুস সাত্তারের ও অপর একটি রুমে সুরাইয়া ও তাহমিনার রক্তাক্ত মরদেহ পড়েছিল। বাসার দক্ষিণ দিকের একটি দরজা দিয়ে ঘাতকরা পালিয়ে গেছে বলে প্রমাণ মিলেছে। দোতলা থেকে নিচে নামার সময় রক্তের দাগও লেগেছিল সেখানে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ তিনটি উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ডাকাতি কিংবা পারিবারিক পূর্ববিরোধের জের ধরে হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। বাসার ভেতরে আলমিরা ও ওয়াডড্রব তছনছ অবস্থায় পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি দলিলও পাওয়া যায়। বাসার ভেতর থেকে স্বর্ণালঙ্কার বা মূল্যবান জিনিসপত্রও খোয়া যেতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।

 

পুলিশের সিআইডি, পিবিআই ও স্পেশাল টিম একযোগে ক্রাইম সিন প্রটেকশন ও তদন্তের কাজ করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও তথ্যের সহায়তায় দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পুলিশ কমিশনার।

সিলেটভিউ২৪ডটকম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

© All rights reserved © 2019 Effective News
Theme Customized By Positiveit.us